রূপগঞ্জে জেলা প্রশাসকের বিদায় সংবর্ধনা

রূপগঞ্জ  প্রতিনিধি : রূপগঞ্জে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২০জুন) দুপুর ১টায় রূপগঞ্জের উপজেলা মিলন আয়োতনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগমের সভাপতিত্বে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পাট ও বস্ত মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক)।

প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা নেই, প্রচলিত আইনের মাধ্যমেই খালেদা জিয়ার জামিন হয়েছে। এছাড়া দেশে আইনের শাসন আছে বলেই নুসরাত হত্যার ঘটনায় ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিচারিক কাজ চলছে। সুতরাং বর্তমান সরকারের আমলে দেশে আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নুসরাত হত্যার ব্যাপারেও তিনি বলেন হত্যার সাথে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ওসি মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনের শাসনের মাধ্যমেই নুসরাত হত্যার বিচার হবে বলে মন্তব্য করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক)।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে যুগ্ম সচিব পদোন্নতি প্রাপ্ত নারায়নগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার বিদায় উপলক্ষে রূপগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া বলেন, মানুষের ঘরে জন্ম নিলেই মানুষ হওয়া যায় না, প্রয়োজন মনুষত্ববোধ। প্রতিটি সন্তান তার বাবা মাকে ভালবাসতে হবে এবং সম্মান করতে হবে। আর বাবা মাকে ভালবাসলে ও সম্মান দিলেই সমাজ বিকশিত হবে। অর্থনৈতিক ভাবে যদি সমৃদ্ধশালী দেশ রেখে যেতে পারি তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করবে। তারাও বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান ভুইয়া, তারাবো পৌর মেয়র হাসিনা গাজী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তরিকুল ইসলাম, লেখক কলামিষ্ট, গভেষক ও রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি লায়ন মীর আব্দুল আলীম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহরিয়ার পান্না সোহেল (ভিপি), উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দা ফেরদৌসি আলম নীলা, জেলা পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান মিজান, ইউপি চেয়ারম্যান আবু হোসেন ভুইয়া রানু, তোফায়েল আহমেদ আলমাস, নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: