‘ভূঁইয়া একাডেমী’র প্রতিষ্ঠাতা ব্যারিস্টার মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ


স্টাফ রিপোর্টার(নিউজ বন্দর ২৪) : ৭ই মে, মহান শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার কৃতি সন্তান ব্যারিস্টার এ.কে.এম মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া (এফসিএ) এর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৮ সালের ঠিক এই দিনে পরিবার পরিজন সহ অনেক গুনগ্রাহী রেখে তিনি পরলোক গমন করেন এবং সোনারগাঁয়ের সাদিপুর ইউনিয়নস্থ নানাখীতে তাঁর প্রিয় স্থান ‘সামারা ভিলেজ’ নামক একটি বাগান বাড়িতে তাঁকে শায়িত করা হয়। তিনিই প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশী, যিনি একসাথে ব্যারিস্টার এবং এফসিএ এ দুটি পেশাগত ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে ব্যারিস্টার এবং ১৯৮৬ সালে এফসিএ ডিগ্রী অর্জন করতে সমর্থ হন। বাংলাদেশের আইন শিক্ষা প্রসারে তাঁর ছিল অনবদ্য অবদান। এদেশের মানুষ যাতে আন্তর্জাতিক মানের আইন শিক্ষা ও পেশাগত জীবনের সুফল পেতে পারে, তাই তিনি ১৯৮৯ সালে ‘ভূঁইয়া একাডেমী’ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর গড়া ‘ভূঁইয়া একাডেমী’ থেকে প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী এলএলবি ডিগ্রী সম্পূর্ণ করেছেন এবং যেখান থেকে ২ হাজারের বেশী শিক্ষার্থী পরবর্তীতে ব্যারিস্টার হবার গৌরব অর্জন করেছেন। সামাজিক উন্নয়নেও মোজাম্মেল হক ভূঁইয়ার ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তিনি জনকল্যানে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। বিশেষ করে তিনি সাভারে এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় পক্ষাঘাত পূনর্বাসন কেন্দ্র (সিআরপি) প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং দীর্ঘ ২২ বছর উক্ত প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আজ এই দিনে তাঁর সহধর্মিনী ড. ব্যারিস্টার রাবিয়া ভূঁইয়া (চেয়ারম্যান, ভূঁইয়া একাডেমী), মরহুমের ছেলে অত্র প্রতিষ্ঠানের বিবিএ শাখার অধ্যক্ষ মাজহারুল হক ভূঁইয়া, মেয়ে ব্যারিস্টার শাহানারা ভূঁইয়া, তাঁর পরিবার পরিজন, আত্মীয়স্বজন, ভূঁইয়া একাডেমী’র শিক্ষক-শিক্ষিকামন্ডলী, ছাত্র-ছাত্রী, মরহুমের গুণগ্রাহী ও সহকর্মীরা সর্বস্তরের সকলের নিকট তাঁর জন্য দোয়া কামনা করেছেন, যাতে মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতবাসী করেন।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: