বাক-স্বাধীনতা উদ্ধার করতে হলে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে–কালাম


মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ এড. আবুল কালাম বলেন, দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা উদ্ধার করতে হলে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে। আর এটার একটাই পথ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। কারন এদেশের মানুষের কথা চিন্তা করে কখনও কোন অন্যায়ের কাছে তিনি মাথা নত করেন নাই। তাই সারা বাংলার মানুষ তাকে আপোষহীন নেত্রী বলে সম্মান করেন।

বুধবার (২২ মে) নগরীর ডিআইট মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রার্সায় অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

১৫নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল কাউছার আশা।

এ সময় এড. আবুল কালাম আরও বলেন, দেশ ও দলের প্রয়োজনে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি প্রয়োজন। সরকার জানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দেওয়া হলে জনগনের দল বিএনপি শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তাই বিচার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রন করে তার মুক্তিতে বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি এখন অসুস্থ্য তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা না করে মৃত্যুর দিকে তাকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার। সরকার ভুলে গেছে এই দেশে কখনই কোন বাকশালী সরকার বেশী দিন টিকে থাকতে পারেনি। তারাও পারবে না। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আল্লাহ সুস্থ্যতা দান করুন।

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, নির্বাচনের নামে দেশে কি ঘটছে তা দেশের প্রতিটা জনগনই জানে। শহীদের রক্তের বিনিময় অর্জিত এই বাংলাদেশে কখনই এক দলীয় শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। আমরা স্বাধীন জাতি অথচ দেশে আজ বাক স্বাধীনতা নেই, মানুষের মৌলিক অধিকার নেই, ভোট দেয়ার অধিকার হরণ হয়ে গেছে। এই ভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। বাঙ্গলী বীরের জাতি তারা কখনই চুপ করে বসে থাকবে না এই অত্যাচারের জবাব একদিন জনগনের কাছেই দিতে হবে।

সরকার মানুষের অধিকার হরণ করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এখন শুধু ক্ষমতা বিচ্ছিন্ন হওয়া বাকি রয়েছে। উন্নয়নের নামে দুর্নীতি হচ্ছে জনগন কিন্তু চোখ বুঝে নেই সব দেখছে। তাই আমরা সরকারের প্রতি আহবান করবো জনগনের জন্য রাজনীতি করুন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগাড়ে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিচার ব্যবস্থাকে স্বাধীন করে দিন দেশনেত্রীর মুক্তি হয়ে যাব্।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মানোয়ার হোসেন শোখন, যুগ্ম-সম্পাদক সাগর প্রধান, যোগাযোগ সম্পাদক আলী ইমরান শামীম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুল ইসলাম ছক্কু, মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু,রাজু আহম্মেদ, জাহিদ প্রধান, জাকির হোসেন, কাইয়ূম আলী, শুক্কুর আলী, মানিক মিয়া, সুমন দেওয়ান, জনী দেওয়ান, গাজী এমসি, মো: আবির, মো: আসিফ, মো: জীবন, মো: রবিউল, মো: শান্ত, আহনাফ রহমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: