বন্দরে শাহীমসজিদ পুকুর সংলঘ্ন রাস্তাটি এখন ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়

নারায়ণগঞ্জের বন্দর শাহীমসজিদ পুকুর সংলঘœ রাস্তাটি এখন ময়লা-আবর্জনাযুক্ত এলাকায় পরিনত হয়েছে। যত্রতত্র ময়লার ভাগাড়। জনসচেতনতার অভাব আর দায়িত্ববানদের অবহেলা ও কর্তৃপক্ষের চরম অব্যবস্থাপনায় শাহীমসজিদ এলাকাটি যেন ধীরে ধীরে ময়লা-আবর্জনার নগরীতে পরিণত হচ্ছে। অথচ শাহীমসজিদ এলাকায় অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীণ শাহী জামে মসজিদ,ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা,৯নং কলোনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সিকদার আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়। স্বনামধন্য ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় চরম স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। চারদিকের উৎকট গন্ধে বাতাস ভারী হয়ে আসছে। প্রতিটি বাড়ি থেকে এখন ময়লা আবর্জনা রাস্তার পাশে এই স্থানে ফেলায় ময়লার পাহাড়ে পরিনত হয়ে যায় । ময়লার স্তুপ মাঝে মাঝে রাস্তায় চলে আসে। এটাই যেন এখন ময়লা ফেলার উপযুক্ত স্থান হয়ে দাড়িয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়ী মাসে ২/১বার এসে এখান থেকে ময়লা আর্বজনা নিয়ে যায়। যে কারণে এই এলাকার মানুষ,পথচারী,স্কুলগামী শিক্ষার্থী,মসজিদের মুসল্লীরা এখন চলাফেরা করতে হয় নাক টিপে। নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ওই এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা। নানা ধরনের ময়লা-আবর্জনার উৎকট গন্ধ নাগরিক জীবনকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেললেও এর বিন্দুমাত্রও টের পান না স্থানীয় কাউন্সিলর,প্রভাবশালী ব্যাক্তি কিংবা রাজনৈতিক কর্তাবাবুরা।

এ ব্যাপারে ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হান্নান সরকার বলেন,আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে অপ্রতুল জনবল। এত স্বল্প জনবল দিয়ে নিয়মিত বিপুল ময়লা পরিষ্কার করা অসম্ভব। সিটি কর্পোরেশনের ময়লাবাহী ট্রাকগুলো প্রতিদিন যখন ময়লা বহন করে নিয়ে যায় তখন বেশ কয়েক ঘণ্টা সে এলাকার বাতাসে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে থাকে। আমি সিটি মেয়র ডা.সেলিনা হায়াত আইভির সাথে আলাপ করব ময়লা স্থানান্তর কেন্দ্রগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিতে ।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: