বন্দরে মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টারঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বেসামরিক গেজেট নিয়মিতকরণের লক্ষ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম রোববার সকাল থেকেই শুরু হয়। বন্দর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের ৫৪ জন মুক্তিযোদ্ধা অংশ নেন। যাচাই-বাছাইকালে অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারাও কারো কারো পক্ষে সাক্ষী দিতে আসেন। এ সময় উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শেখ কামাল বলেন,স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসেও মুক্তিযোদ্ধাদের পরীক্ষা দিতে হয় যে তারা মুক্তিযোদ্ধা কি না। এটা খুবই দুঃখজনক। সূর্য সন্তানদেরকে এভাবে হয়রানির কোন মানে হয়না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের মানবতার মা তার কাছে অনুরোধ থাকবে তিনি যেনো বিষয়টি বিবেচনা সহকারে গুরুত্ব দেন।
এদিকে যাচাই-বাছাই শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশীদ বলেন,আমরাও খুব দুঃখ পাচ্ছি যে,মুক্তিযোদ্ধাদেরকে শেষ সময়ে এসে প্রমাণ করতে হচ্ছে তারা যুদ্ধ করেছে কি না। কিন্তু কি আর করা সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে যা নির্দেশ দিবে আমাদেরকে তা পালণ করতেই হবে। যাচাই-বাছাই কমিটির আহবায়ক হিসেবে ছিলেন বন্দর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার কাজী নাছির,সদস্য সচিব বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শুক্লা সরকার সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা এম এ রশীদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: