বন্দরে নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশায় ইংল্যান্ড প্রবাসীর পরিবার


বন্দরে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশায় দিন গুনছে ইংল্যান্ড প্রবাসী আরিফুল ইসলাম ও তার মা শিরিনা বেগম। এমনটাই ক্ষোভ প্রকাশ করে গনমাধ্যমকে জানিয়েছেন ইংল্যান্ড প্রবাসীর মা শিরিনা বেগম।

তিনি জানিয়েছেন,আমার ইংল্যান্ড প্রবাসী ছেলে আরিফুল ইসলাম ৫বছর পূর্বে শরিফুল ইসলামের মেয়ে মরিয়ম আক্তারের সাথে মোবাইল ফোনে বিয়ে হয়। বিয়ের পর আমার ছেলে তার রোজগারের সমস্ত টাকা তার স্ত্রী মরিয়মের কাছে পাঠায়। আমার ছেলের অজান্তে আমার পুত্রবধু ৩০লাখ টাকা গোপনে পরিবহনের ব্যবসা করবে বলে তার পিতাকে ধার দেয়। পরে আমার ছেলে টাকার কথা বললে তার সাথে নানা তাল বাহানা করে এড়িয়ে যায়। আমার পুত্রবধু মরিয়ম তার পিতা-মাতার যোগসাজসে অসুস্থতার কথা বলে পিত্রালয়ে চলে যায়। আমি একাধিকবার আমার পুত্রবধু মরিয়মের পিত্রালয় সুরুজ্জামান টাইয়ারের ভাড়া বাড়িতে তাকে ফেরত আনতে গেলে তার দেখা পাইনি বরং তার পরিবারের কাছ থেকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ আর হুমকি ধামকি শুনে চোখের জল ফেলে বাড়ি ফিরতে হয়েছে। আমার ছেলে প্রবাসে থাকাবস্থায় ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী তার শ^াশুরীর সাথে মোবাইল ফোনে বলে যে তার স্ত্রী মরিয়মের সাথে একটু কথা বলবে কিন্তু তাকে তার স্ত্রীর সাথে কথা বলতে দেয়া হয়নি। আমার ছেলে তার শ^াশুরীকে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সময় ইংল্যান্ডের রেসিডেন্সিয়াল পারপিট পাইছি আমার স্ত্রীকে ইংল্যান্ড নিয়ে যাব এমন কথা বললে তার শ^াশুরী বলে তোমাকে এখন আমাদের আর প্রয়োজন নাই। শুনেছি মরিয়মের অনত্র বিয়ে হয়েছে তখন সেলিনা বেগম আমার ছেলের সাথে মিথ্যের আশ্রয় নেয়। আমার পুত্রবধু মরিয়ম তার মা সেলিনা বেগমসহ সবাই এখনও বিভিন্ন কৌশলে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে।  শুনেছি কিছুদিনের মধ্যেই তাদের ভাড়াবাড়ি সুরুজ্জামান টাউয়ার থেকে অনত্র পালিয়ে যাবে। আর আমার ছেলে ইংল্যান্ড প্রবাসী খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে চরম হতাশায় দিন গুনছে।

এ বিষয়ে বন্দর থানায় ইতিপূর্বে অভিযোগ করেও কোন সমাধাণ পাচ্ছিনা। শুনেছি নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ খুবই দয়ালু। এই প্রতারক ফ্যামিলির বিরোদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: