লাঙ্গলবন্দে মহাঅষ্টমী স্নান উৎসবে পূণ্যার্থীদের ঢল


স্টাফ রিপোর্টার(নিউজ বন্দর ২৪) : নারায়ণগঞ্জের বন্দরের লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুইদিন ব্যাপী মহাঅষ্টমী পুণ্য¯œান উৎসব। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পুণ্যার্থীদের ঢল নেমেছে ব্রহ্মপুত্র নদে। শান্তিপূর্নভাবে ¯œানোৎসব সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পূণ্যার্থীরাও জানিয়েছেন এবার নির্বিঘেœ বিভিন্ন ঘাটে তারা পূর্ণ্য¯œান করছেন।

শুক্রবার বেলা ১১টা ৪৮ সেকেন্ডে এই স্নানোৎসবের লগ্ন শুরু হয়ে শনিবার সকাল ৮টা ৫৮ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে শেষ হবে। এবার ১৮টি স্নানঘাটে এই ¯œান উৎসবের আয়োজন করেছে উৎসব উৎযাপন কমিটি। লাখো পূণ্যার্থী উলুধ্বনি দিয়ে মেতে ওঠেন ¯œানোৎসবে।‘হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র হে লোহিত্য আমার পাপ হরণ কর’ এই মন্ত্র পাঠ করে ফুল, বেলপাতা, ধান, দুর্বা দিয়ে আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পালন করছেন ¯œানোৎসব। ভারত, নেপাল ও ভুটানসহ দেশ বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সব বয়সের নারী পুরুষের তীর্থস্থানে পরিনত হয়েছে ব্রক্ষপুত্র নদের তীর। এবার রাজ ঘাট, গান্ধিঘাট, অন্নপূর্না ঘাট, প্রেমতলাসহ ১৮টি ঘাটে ¯œান করা হচ্ছে।

¯œানোৎসবে আসা পূন্যার্থীরা জানান, পাপ মোচনের আশায় তারা এই ব্রাক্ষ্মপুৎত্র নদে ¯œান করতে এসেছন। এবার নদীর কচুরীপানা পরিস্কারও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা।
ভক্সপপ: একাধিক নারীপুরুষ পূণ্যার্থী।
পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় পুলিশ, র‌্যাব, আনসারসহ সাদা পোশাকে প্রশাসনের ১৩শ’ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা ছাড়াও তীর্থস্থানের পাশে বসানো হয়েছে স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। এসব ক্যাম্পে পূণ্যার্থীদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা সহ তাদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও দূর্ঘটনা এড়াতে বিপুল সংখ্যক ফায়ার সার্ভিসের কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে এসব তদারকি করা হচ্ছে।

আগামীকাল শনিবার সকাল ৮টা ৫৮ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে শেষ হবে লাঙ্গবন্দের এই ¯œানোৎসবের লগ্ন।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: