এসআই মনিরের সাহসিকতায় গণধোলাই থেকে বেঁচে গেলেন কাঁচপুর হাইওয়ে থানার কনস্টেবল আনিস

স্টাফ রিপোর্টারঃ সোনারগাঁও থানার এস আই মনির হোসেনের সাহসিকতা ও সময় উপযোগী কার্যকর পদক্ষেপের কারণে গণধোলাইয়ের হাত থেকে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার কনস্টেবল (মুন্সী) আনিস বেঁেচ ফিরলেন এবং মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে একটি পরিবার রক্ষা পেলো বলে খবর পাওয়া গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ইমরান বাদী হয়ে মঙ্গলবার সোনারগাঁও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লিখিত অভিযোগ ও ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার পর ঢাকার ওয়ারী থানার বাসিন্দা ইমরান, তার অন্তঃস্বত্তা স্ত্রী ও ২ শিশুকে নিয়ে একটি অটোরিক্সা দিয়ে চেঙ্গাইন থেকে কাঁচপুর নয়াবাড়ী যাবার সময় কনস্টেবল আনিস (পুলিশের পোশাক পরিধান না করা অবস্থায় থেকে) আরও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে নিয়ে সোনাপুর বটতলা মসজিদের সামনে এসে ইমরানদের পরিবহন করা অটোরক্সিার গতিরোধ করে এবং গাড়ীর ব্রেকসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ ছিড়ে ফেলে এবং রিক্সাচালককে গলার গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে গাড়ীটি সয়ংক্রিয় (অটো) হয়ে গিয়ে যাত্রী সহ নিকটস্থ পুকুরে পড়তে থাকে। এস আই মনির হোসেন তখন নিকটস্থ উক্ত মসজিদে আসর নামাজ পড়ে বের হবার সময় লোকজনের কোলাহলের আওয়াজ শুনতে পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অটোরিক্সাটিকে ধরে স্থানীয়দের সহায়তায় টেনে ঢাল থেকে রাস্তায় উঠিয়ে যাত্রীদের জীবন বাঁচাতে সক্ষম হন। পরক্ষণে তাদের ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মুন্সী আনিস ও সঙ্গিয় অজ্ঞাতরা ভূক্তভোগীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ তাদের মারধর করতে উদ্ধত হয় এবং রিক্সাচালককে মেরে নীলাফুলা ঝখম করে। এতে ইমরানের স্ত্রী রুকু অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাছাড়া আনিস এস আই মনিরের সাথেও খারাপ আচরণ করে এবং তার পরিচয় জানতে চাওয়াতে সে এস আই মনিরের সাথে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়। আনিস পুলিশ সদস্য জানতে পারার পরও তার আইডি কার্ড দেখতে চাওয়াতে সে আইডি কার্ড দেখাননি। উত্তেজিত জনতা আনিসকে ছেলেধরা সন্দেহে মারধর করতে এগিয়ে এলে এস আই মনির উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন এবং খবর পেয়ে হাইওয়ে থানার পুলিশ এসে আনিসকে ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে যায়।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: