বন্দরে স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রংমিস্ত্রিকে কুপিয়ে জখম,থানায় মামলা

স্টাফ রিপোর্টার(নিউজ বন্দর ২৪) : নারায়ণগঞ্জ বন্দরে স্ত্রীকে কুপ্রস্তাবসহ উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় শাহীণ(৪৬) নামে এক রং মিস্ত্রিকে কুপিয়ে জখম করেছে বক্তারকান্দি এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী বল্টু আমজাদগং। শুক্রবার সকাল ৯টায় ২৪নং ওয়ার্ডস্থ বক্তারকান্দি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

আহত রং মিস্ত্রি শাহীন বক্তারকান্দি এলাকার হাজী গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।

এ ব্যাপারে আহত রং মিস্ত্রির স্ত্রী ববি আক্তার বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে শীর্ষ সন্ত্রাসী বল্টু আমজাদসহ ৫জনকে আসামী করে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, বন্দর উপজেলার বক্তারকান্দি এলাকার মৃত লালচাঁন সর্দারের ছেলে বল্টু আমজাদ, তার ভাই মনির ওরফে টুন্ডা মনির, একই এলাকার বল্টু আমজাদের ছেলে হৃদয়,আপল মিয়া ও শফিক।

আহত রং মিস্ত্রির স্ত্রী ববি আক্তার  জানান,২৪নং ওয়ার্ডস্থ আমিরাবাদ সরকার পাড়া এলাকায় বসবাস করে আসছি। আমার স্বামী মোঃ শাহীন মিয়া একজন দিনমজুর। কিছুদিন যাবৎ বক্তারকান্দি এলাকায় দোকানে সদাই কিনতে গেলে ওই এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী বল্টু আমজাদ আমাকে পথরোধ করে নানা আপত্তি জনক কথাবার্তাসহ অঙ্গভঙ্গী করে থাকে। আমার স্বামী শাহিন মিয়া তাকে একাধিকবার সাবধান করার পর তার উত্যক্তের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। আমার স্বামী শাহীন মিয়াকে সন্ত্রাসী বল্টু আমজাদ ও তার আতিœয় স্বজনরা মিলে উল্টো গালমন্দ করে।

এর ধারাবাহিকতায়,শুক্রবার সকালে বক্তারকান্দি এলাকায় প্রতিদিনের ন্যায় রংমিস্ত্রি শাহীন তার কাজে উদ্দেশ্যে বের হয়। শাহীনকে পথ রোধ করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বক্তারকান্দি এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী একাধিক মামলার আসামী মৃত লালচান সর্দারের ছেলে বল্টু আমজাদ তার ভাই মনির ওরফে টুন্ডা মনির,বল্টু আমজাদের ছেলে হৃদয়,আপল মিয়া ও শফিক মিলে রামদা,লাঠি-সোটা নিয়ে বেধরক মারপিট করে। একপর্যায়ে বল্টু আমজাদ রামদা দিয়ে কুপিয়ে শাহীনকে গুরুতর জখম করে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। আহত রং মিস্ত্রি শাহীনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরন করে।

বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এর আগেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেছিলেন আহত শাহীনের স্ত্রী  ববি আক্তার। 

এ মামলায় আমজাদ নামে একজন কারাদন্ডও দেয়া হয় কিছুদিন আগে সে মুক্তি পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এ ঘটনার জের ধরেই শাহীনের ওপর হামলা চালিয়েছে আমজাদ ও তার লোকজন। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: