কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা


সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি(নিউজ বন্দর ২৪) : কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রঙ্গনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মিজমিজি কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি গ্রুপের সভাপতি মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার, পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াসিন মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভূইয়া রাজু, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার স্বাস্থ্য পরির্দশক এমদাদ হোসেন সিদ্দিকী, ইসমাইল হোসেন ও মিজমিজি পশ্চিমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাঈদুল ইসলাম প্রমূখ। অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেন মিজমিজি কমিউনিটি ক্লিনিকের কোষাধ্যক্ষ মোঃ আলী। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্য ডাঃ মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন গ্রামীন জণগোষ্ঠির কাছে সেবা পৌছে দেওয়ার জন্য আমাদের বর্তমান সরকারের মাননিয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে প্রথম এই কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রক্লটি চালু করেন। পরর্বতীত্বে আরেকটি সরকার ক্ষমতায় এসে এই কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়। মিজমিজিতে এই কমিউনিটি ক্লিনিক ছিল, পরে তা করা হয়েছিল ক্লাব। সিটি করর্পোরেশন চিনে এটাকে ক্লাব হিসেবে। কমিউনিটি ক্লিনিক কি করে ক্লাব হলো তা আপনারা স্বাক্ষী ,আপনারা এলাকাবাসী। কিন্তুু একটা কমিউনিটি ক্লিনিক কি করে এখানে,মানুষকে সেবা দেয়। সেই কমিউনিটি ক্লিনিকে যদি আপনে ওষুধ দিতে নাও পারেন, আপনে যদি একটা স্বাস্থ্য শিক্ষা দেন সেটাও জণগনের উপকারে আসে। আপনারা সবাই এখান থেকে সেবা নিবেন এটা আমরা আশাকরি না। যার যার সার্মথ্য অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নেন,কেহু এখানে নিবে, কেহু হাসপাতালে নিবে, কেহু প্রইভেটে নিবে, কেহু বাং লাদেশে নিবে,কেহু বাংলাদেশের বাইরে নিবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আমরা যারা বাইরে যেতে পারি না,বড়বড় ক্লিনিকে যেতে পারি না,তারাইত এখানে নিবে। এখানে যদি আপনে ওষুধ দিতে না পারেন, একটি স্বাস্থ্য শিক্ষাদিতে পারবেন, আমাকে বলতে পারবেন আপনে এই কাজটি করেন,অথবা আপনে ওমুক জায়গায় যান এই কথাটি আমার জন্য অনেক দামি,কারন আমার পক্ষে দেশের বাইরে অথবা ভালভাল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভাবনা। আপনে ওষুধ দিতে না পারেন এতটুক ুত দিতে পারতেন। তা না দিয়ে পুর ক্লিনিকটা বন্ধ করে দিয়েছেন। বর্তমান সরকার যখন পূনরায় ক্ষমতায় আসছে তখন তিনি এই হতদরিদ্র জণগনের কথা চিন্তা করে, যারা আমরা দেশের বাহিরে যেতে পারবনা তাদের কথা চিন্তা করে পূনরায় আবারএটা(কমিউনিটি ক্লিনিক) উন্ধার করেছে। কমিউনিটি ক্লিনিক আমাদের মাননিয় প্রধানমন্ত্রীর অনেক গুল প্রকল্পের মধ্য একটি, যেটা ওনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত ওনার এই পকল্পের কোন কিছুতে ওনি ছাড় দেননি। বরং এটাকে কি করে স্থায়ী করা যায় সেটার উপরে কাজ করছেন। অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্য মোস্তফা কামাল বলেন বিগত সময়ে আমারা এই কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্যকক্র বেপক ভাগে পশারীত করার জন্য, যে সকল উদ্দ্যোগ আমাদের সিদ্ধিরগঞ্জের অন্য ৮টি কমিউনিটি ক্লিনিক না নিয়েছে, আমরা কিন্তুু এই কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা পরিষদে যারা ছিলাম আমরা চেষ্টা করিছি আমাদের এলাকায় হতদরিদ্র লোকজন যাতে এখানে কমিউনিটি সেবা পায় তার জন্য আমারা নিজেদের অর্থে ওষুধের ব্যাবস্থা করেছি।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: